@anikhofficial
I’m Anik Hasan, an MBA graduate with IT training from the IsDB-BISEW program. I have hands-on skills in Java, Spring Boot, Flutter, and Angular, along with a strong interest in HR, talent development, and organizational growth. I enjoy blending tech and people skills to solve real-world problems and am passionate about continuous learning, creativity, and meaningful collaboration.
-
ঈদ মোবারক সবাইকে। ঈদের দিনটা পরিবারের সবার সাথে সুন্দর ও ভালোভাবে কাটুক এবং ঈদ পরবর্তী সময়গুলো ভালোভাবে কাটুক এই দোয়া রইল সবার জন্য।ঈদ মোবারক সবাইকে। ঈদের দিনটা পরিবারের সবার সাথে সুন্দর ও ভালোভাবে কাটুক এবং ঈদ পরবর্তী সময়গুলো ভালোভাবে কাটুক এই দোয়া রইল সবার জন্য। 💜2
0 Comments 0 Shares 2K Views -
ইউরোপের মাঠ নয়, কিন্তু vibe ছিলো পুরোটাই ইউরোপিয়ান!
আধুনিক স্টেডিয়াম, গর্জে ওঠা গ্যালারি, আর মাঠজুড়ে এককথায়—পরিচ্ছন্ন, ট্যাকটিক্যাল ফুটবল!
নিখুঁত পাস, একসাথে প্রেসিং, চোখে পড়ার মতো বোঝাপড়া—এই ম্যাচে যেন কিছুই কম ছিলো না।
আর পুরো দৃশ্যপটের কেন্দ্রবিন্দুতে যিনি ছিলেন—তিনি হামজা।
দেশের মাঠিতে প্রথম ম্যাচে প্রথম গোল!
গোল দিয়েই নয়, খেলার ভেতরে ওর প্রতিটা মুভমেন্টেই ছিলো আত্মবিশ্বাস আর নিয়ন্ত্রণের ছাপ।
দূর থেকে লং পাস, নিখুঁত পজিশনিং—মনে হচ্ছিলো, যেন প্রিমিয়ার লিগের কোনো ম্যাচ ঢাকার মাঠে হুবহু নেমে এসেছে।
২৫ মিনিটেই ২৫টি সফল পাস—কল্পনা নয়, বাস্তবতা!
এদিকে ফাহমিদুলও কম যান না।
প্রথমবার মাঠে নেমে এমন ছন্দে ছিলেন, মনে হচ্ছিলো, অনেকদিন ধরে জাতীয় জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলছেন।
গতি, বল কন্ট্রোল, আর একের পর এক নিখুঁত টাচ—ভক্তরা এতদিন যার জন্য অপেক্ষায় ছিলো, আজ যেন সেই অপেক্ষার অর্থ বুঝিয়ে দিলেন।
ভিআইপি বক্সে বসে থাকা সামিত সোম হাসিমুখেই যেন বলে দিচ্ছিলেন—"এই তো শুরু, আরও অনেক বাকি!"
এই ম্যাচটা শুধু একটা জয় নয়, এটা একটা বার্তা।
বাংলাদেশের ফুটবল এখন ঘুমিয়ে নেই। ঘুম ভাঙার ঘণ্টা বেজে গেছে।
এটাই সেই মুহূর্ত, যার জন্য অপেক্ষায় ছিলো লাল-সবুজের কোটি প্রাণ!
দারুণ, দুর্দান্ত, অবিশ্বাস্য—এই ম্যাচের জন্য শুধু একটাই কথা বলি...
এভাবেই এগিয়ে যাক আমাদের ফুটবল!ইউরোপের মাঠ নয়, কিন্তু vibe ছিলো পুরোটাই ইউরোপিয়ান! আধুনিক স্টেডিয়াম, গর্জে ওঠা গ্যালারি, আর মাঠজুড়ে এককথায়—পরিচ্ছন্ন, ট্যাকটিক্যাল ফুটবল! নিখুঁত পাস, একসাথে প্রেসিং, চোখে পড়ার মতো বোঝাপড়া—এই ম্যাচে যেন কিছুই কম ছিলো না। আর পুরো দৃশ্যপটের কেন্দ্রবিন্দুতে যিনি ছিলেন—তিনি হামজা। দেশের মাঠিতে প্রথম ম্যাচে প্রথম গোল! গোল দিয়েই নয়, খেলার ভেতরে ওর প্রতিটা মুভমেন্টেই ছিলো আত্মবিশ্বাস আর নিয়ন্ত্রণের ছাপ। দূর থেকে লং পাস, নিখুঁত পজিশনিং—মনে হচ্ছিলো, যেন প্রিমিয়ার লিগের কোনো ম্যাচ ঢাকার মাঠে হুবহু নেমে এসেছে। ২৫ মিনিটেই ২৫টি সফল পাস—কল্পনা নয়, বাস্তবতা! এদিকে ফাহমিদুলও কম যান না। প্রথমবার মাঠে নেমে এমন ছন্দে ছিলেন, মনে হচ্ছিলো, অনেকদিন ধরে জাতীয় জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলছেন। গতি, বল কন্ট্রোল, আর একের পর এক নিখুঁত টাচ—ভক্তরা এতদিন যার জন্য অপেক্ষায় ছিলো, আজ যেন সেই অপেক্ষার অর্থ বুঝিয়ে দিলেন। ভিআইপি বক্সে বসে থাকা সামিত সোম হাসিমুখেই যেন বলে দিচ্ছিলেন—"এই তো শুরু, আরও অনেক বাকি!" এই ম্যাচটা শুধু একটা জয় নয়, এটা একটা বার্তা। বাংলাদেশের ফুটবল এখন ঘুমিয়ে নেই। ঘুম ভাঙার ঘণ্টা বেজে গেছে। এটাই সেই মুহূর্ত, যার জন্য অপেক্ষায় ছিলো লাল-সবুজের কোটি প্রাণ! দারুণ, দুর্দান্ত, অবিশ্বাস্য—এই ম্যাচের জন্য শুধু একটাই কথা বলি... এভাবেই এগিয়ে যাক আমাদের ফুটবল!
3
0 Comments 0 Shares 2K Views -
From Jamal's magic corner to Hamza’s thunderous header — Bangladesh strikes gold against Bhutan!
#BFF #Bangladesh #BangladeshFootballFrom Jamal's magic corner to Hamza’s thunderous header — Bangladesh strikes gold against Bhutan! 💥🇧🇩 #BFF #Bangladesh #BangladeshFootball3
0 Comments 0 Shares 2K Views -
থাইল্যান্ডের এক কুমির খামারে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির পিকনিক চলছিল। আয়োজন চমৎকার আর সবাই খুব উপভোগ করছিল। আনন্দ, হাসি-ঠাট্টা, আর কিছুটা খেয়ালিপনায় কেটে যাচ্ছিল সময়। ঠিক তখনই কোম্পানির এমডি এক অভিনব ঘোষণা দিলেন:
"এই কুমিরে ভরা পুকুর যদি কেউ জীবিত অবস্থায় সাঁতরে পার হতে পারে, তবে তাকে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। আর যদি সে প্রাণ হারায়, তবে তার পরিবার পাবে ২ মিলিয়ন!"
ঘটনাটি নিছক রসিকতা মনে হলেও পুকুরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সবাই হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেল। জীবন বাজি রেখে কেউ কি নামবে ওই কুমির ভরা পুকুরে? কার আছে সেই সাহস? দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও কেউই এগিয়ে এল না।
কিন্তু হঠাৎই, একজন পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ল! পেছন থেকে সবাই বিস্ময় আর আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি কুমিরের চোয়ালে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে লোকটির দেহ। এ যে স্বেচ্ছায় নিশ্চিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নেওয়া!
কিন্তু তখন এক অলৌকিক ঘটনা ঘটল। মরণপণ চেষ্টায় পুকুর সাঁতরে পার হয়ে গেল লোকটি! সাথে সাথে দম বন্ধ করা মুহূর্তগুলো ভেঙে উল্লাসে ফেটে পড়ল সবাই।
কোম্পানির এমডি নিজে এগিয়ে এসে ৫ মিলিয়ন ডলারের চেক লোকটির হাতে তুলে দিলেন। কলিগরা পিঠ চাপড়ে অভিনন্দন জানাতে লাগল। সবাই বিজয়ীকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছে।
কিন্তু সেই সাহসী কর্মচারী, তখনো দিশেহারা, হাঁপাতে হাঁপাতে বলে উঠল, “আমি জানতে চাই, আমাকে পেছন থেকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?”
সবাই চুপ। এরপর ধীরে ধীরে প্রকাশ পেল সত্য, তার স্ত্রীই তাকে পুকুরে ঠেলে দিয়েছিল!
সেদিন থেকেই জন্ম নিয়েছিল সেই চিরন্তন প্রবাদটি:
“প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে একজন নারীর হাত থাকে।”
পোস্ট - কপিথাইল্যান্ডের এক কুমির খামারে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির পিকনিক চলছিল। আয়োজন চমৎকার আর সবাই খুব উপভোগ করছিল। আনন্দ, হাসি-ঠাট্টা, আর কিছুটা খেয়ালিপনায় কেটে যাচ্ছিল সময়। ঠিক তখনই কোম্পানির এমডি এক অভিনব ঘোষণা দিলেন: "এই কুমিরে ভরা পুকুর যদি কেউ জীবিত অবস্থায় সাঁতরে পার হতে পারে, তবে তাকে ৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। আর যদি সে প্রাণ হারায়, তবে তার পরিবার পাবে ২ মিলিয়ন!" ঘটনাটি নিছক রসিকতা মনে হলেও পুকুরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সবাই হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেল। জীবন বাজি রেখে কেউ কি নামবে ওই কুমির ভরা পুকুরে? কার আছে সেই সাহস? দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও কেউই এগিয়ে এল না। কিন্তু হঠাৎই, একজন পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ল! পেছন থেকে সবাই বিস্ময় আর আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি কুমিরের চোয়ালে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে লোকটির দেহ। এ যে স্বেচ্ছায় নিশ্চিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নেওয়া! কিন্তু তখন এক অলৌকিক ঘটনা ঘটল। মরণপণ চেষ্টায় পুকুর সাঁতরে পার হয়ে গেল লোকটি! সাথে সাথে দম বন্ধ করা মুহূর্তগুলো ভেঙে উল্লাসে ফেটে পড়ল সবাই। কোম্পানির এমডি নিজে এগিয়ে এসে ৫ মিলিয়ন ডলারের চেক লোকটির হাতে তুলে দিলেন। কলিগরা পিঠ চাপড়ে অভিনন্দন জানাতে লাগল। সবাই বিজয়ীকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছে। কিন্তু সেই সাহসী কর্মচারী, তখনো দিশেহারা, হাঁপাতে হাঁপাতে বলে উঠল, “আমি জানতে চাই, আমাকে পেছন থেকে কে ধাক্কা দিয়েছিল?” সবাই চুপ। এরপর ধীরে ধীরে প্রকাশ পেল সত্য, তার স্ত্রীই তাকে পুকুরে ঠেলে দিয়েছিল! সেদিন থেকেই জন্ম নিয়েছিল সেই চিরন্তন প্রবাদটি: “প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে একজন নারীর হাত থাকে।” পোস্ট - কপি 🤧
2
0 Comments 0 Shares 2K Views -
Hello Doyel community!
I’m Anik Hasan — an MBA graduate with hands-on training in Java development, Spring Boot, and Flutter through the IsDB-BISEW IT Scholarship Programme. I'm passionate about both HR and IT, and I love blending people skills with technology to solve real-world problems.
I’m here to learn, connect, and grow with like-minded professionals. Whether you’re into software, HR, or storytelling — let’s connect and share ideas!
Feel free to say hi or drop your thoughts. Looking forward to meaningful connections!
#Introduction #NewHere #JavaDeveloper #HR #IsDBBISEW #AnikHasanHello Doyel community! 👋 I’m Anik Hasan — an MBA graduate with hands-on training in Java development, Spring Boot, and Flutter through the IsDB-BISEW IT Scholarship Programme. I'm passionate about both HR and IT, and I love blending people skills with technology to solve real-world problems. I’m here to learn, connect, and grow with like-minded professionals. Whether you’re into software, HR, or storytelling — let’s connect and share ideas! Feel free to say hi or drop your thoughts. Looking forward to meaningful connections! 🤝✨ #Introduction #NewHere #JavaDeveloper #HR #IsDBBISEW #AnikHasan
5
2 Comments 0 Shares 1K Views
More Stories