-
পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর জাতিসঙ্ঘের বানানো গ্লোবাল সাউথ ও গ্লোবাল নর্থের নমুনা দেখুন।
গ্লোবাল নর্থ বলা হয়েছে উন্নত, ধনী, মূলত পশ্চিমাপন্থী দেশগুলোকে।
(যেমন: আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ, ইসরাইল অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া)
গ্লোবাল সাউথ বলা হয়েছে সেসব দেশকে, যেসব দেশ তুলনামূলকভাবে কম উন্নত, ঔপনিবেশিক ইতিহাস রয়েছে এবং এখনো পশ্চিমা দৃষ্টিতে “উন্নয়নশীল” কিংবা “ভিন জাতি"।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে: গ্লোবাল নর্থ–সাউথ এই ভাগ কিসের ভিত্তিতে?
এটা কি শুধুই অর্থনৈতিক?
না। এটা অর্থনীতি + ভূরাজনীতি + আদর্শিক আনুগত্যের সংমিশ্রণ।
উদাহরণ দেখুন–
সিঙ্গাপুর: এশিয়ার দেশ। ছোট দেশ, কিন্তু ধনী ও পশ্চিমাপন্থী। তাই গ্লোবাল নর্থ ধরা হয়।
কাতার বা আমিরাত: অনেক ধনী, কিন্তু কিছুটা “ইসলামি চরিত্র” এবং কিছুটা “পশ্চিম-বিরোধী” ভাবমূর্তি থাকায় পুরোপুরি গ্লোবাল নর্থের তালিকায় নেই।
ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যে থেকেও ধনী, উন্নত হলেও এশিয়ার দেশ। কিন্তু পশ্চিমাপন্থী হওয়ায় তাদেরকে গ্লোবাল নর্থ হিসেবেই গোনা হয়।
তাহলে এর মানে কী?
পশ্চিমা বিশ্ব "গ্লোবাল নর্থ"–"গ্লোবাল সাউথ" ভাগ করে নিজেদের নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থার মানচিত্র এঁকে নিয়েছে।
“নর্থ” = সভ্য, উন্নত, নেতৃত্ব কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বই উপযুক্ত
“সাউথ” = সাহায্যপ্রার্থী, দুর্বল, পশ্চিম কর্তৃক পরিচালনার তাদের অধীনস্ত থাকার উপযুক্ত
কেন এই স্বার্থান্বেষী বিভাজন?
কারণ এটা একটা জিও-আইডিওলজিক্যাল প্যাকেজ, যেখানে-
পশ্চিমা বিশ্ব উন্নয়নের মানদণ্ড নির্ধারণ করে, অন্যদের সেই মানদণ্ডে ফেল করে দিয়ে নিচে রাখে এবং এর ভিত্তিতে ক্ষমতা, প্রভাব, ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।
"গ্লোবাল সাউথ" আর "গ্লোবাল নর্থ" নিরপেক্ষ শব্দ নয়, বরং ক্ষমতা কাঠামোর ভাষাগত রূপ। মুসলিম বিশ্বের পশ্চিমা ফ্রেমওয়ার্কে নিজেদের অবস্থান মেনে নেওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। পশ্চিমের এই কাঠামোর ভণ্ডামি যত বুঝবে ততোই মঙ্গোল। এটা চিন্তার মুক্তির দিকেই এগিয়ে যাওয়ার পথ।
আমাদের উচিত নিজেরা নিজেদের উন্নয়ন ও আদর্শিক অবস্থান নির্ধারণ করা। একটা বিকল্প গ্লোবাল সাউথ চিন্তা গড়ে তোলা, যেখানে ভৌগলিক নয়, ধর্মীয় আদর্শ ও সার্বভৌমত্ব হবে মূল মাপকাঠি।
পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর জাতিসঙ্ঘের বানানো গ্লোবাল সাউথ ও গ্লোবাল নর্থের নমুনা দেখুন। 🔵 গ্লোবাল নর্থ বলা হয়েছে উন্নত, ধনী, মূলত পশ্চিমাপন্থী দেশগুলোকে। (যেমন: আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ, ইসরাইল অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া) 🔴 গ্লোবাল সাউথ বলা হয়েছে সেসব দেশকে, যেসব দেশ তুলনামূলকভাবে কম উন্নত, ঔপনিবেশিক ইতিহাস রয়েছে এবং এখনো পশ্চিমা দৃষ্টিতে “উন্নয়নশীল” কিংবা “ভিন জাতি"। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে: গ্লোবাল নর্থ–সাউথ এই ভাগ কিসের ভিত্তিতে? এটা কি শুধুই অর্থনৈতিক? না। এটা অর্থনীতি + ভূরাজনীতি + আদর্শিক আনুগত্যের সংমিশ্রণ। উদাহরণ দেখুন– সিঙ্গাপুর: এশিয়ার দেশ। ছোট দেশ, কিন্তু ধনী ও পশ্চিমাপন্থী। তাই গ্লোবাল নর্থ ধরা হয়। কাতার বা আমিরাত: অনেক ধনী, কিন্তু কিছুটা “ইসলামি চরিত্র” এবং কিছুটা “পশ্চিম-বিরোধী” ভাবমূর্তি থাকায় পুরোপুরি গ্লোবাল নর্থের তালিকায় নেই। ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যে থেকেও ধনী, উন্নত হলেও এশিয়ার দেশ। কিন্তু পশ্চিমাপন্থী হওয়ায় তাদেরকে গ্লোবাল নর্থ হিসেবেই গোনা হয়। তাহলে এর মানে কী? পশ্চিমা বিশ্ব "গ্লোবাল নর্থ"–"গ্লোবাল সাউথ" ভাগ করে নিজেদের নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থার মানচিত্র এঁকে নিয়েছে। “নর্থ” = সভ্য, উন্নত, নেতৃত্ব কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বই উপযুক্ত “সাউথ” = সাহায্যপ্রার্থী, দুর্বল, পশ্চিম কর্তৃক পরিচালনার তাদের অধীনস্ত থাকার উপযুক্ত কেন এই স্বার্থান্বেষী বিভাজন? কারণ এটা একটা জিও-আইডিওলজিক্যাল প্যাকেজ, যেখানে- পশ্চিমা বিশ্ব উন্নয়নের মানদণ্ড নির্ধারণ করে, অন্যদের সেই মানদণ্ডে ফেল করে দিয়ে নিচে রাখে এবং এর ভিত্তিতে ক্ষমতা, প্রভাব, ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। "গ্লোবাল সাউথ" আর "গ্লোবাল নর্থ" নিরপেক্ষ শব্দ নয়, বরং ক্ষমতা কাঠামোর ভাষাগত রূপ। মুসলিম বিশ্বের পশ্চিমা ফ্রেমওয়ার্কে নিজেদের অবস্থান মেনে নেওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। পশ্চিমের এই কাঠামোর ভণ্ডামি যত বুঝবে ততোই মঙ্গোল। এটা চিন্তার মুক্তির দিকেই এগিয়ে যাওয়ার পথ। আমাদের উচিত নিজেরা নিজেদের উন্নয়ন ও আদর্শিক অবস্থান নির্ধারণ করা। একটা বিকল্প গ্লোবাল সাউথ চিন্তা গড়ে তোলা, যেখানে ভৌগলিক নয়, ধর্মীয় আদর্শ ও সার্বভৌমত্ব হবে মূল মাপকাঠি।1
0 Comments 0 Shares 3K Views
More Stories