প্রোডাকশনে কিছু ব্রেক হতো, মনে হতো—
"সমস্যাটা হয়তো আমার মধ্যেই।" "আমি হয়তো যথেষ্ট স্মার্ট না।"
সেই সময় বুঝতাম না, কিন্তু এখন জানি— এটার নাম ইম্পোস্টার সিন্ড্রোম।
যেটা ৯ জন জুনিয়রের মধ্যে প্রায় ৮ জনই ফেস করে।
তুমি ভাবো—তোমার চারপাশের সবাই সব জানে, কিন্তু তুমি কেবল কোনোমতে টিকে আছো।
এমন ফিল করা আসলে খারাপ না। এগুলো “গ্রোথের সাইন”। যখনই তুমি নতুন কিছু শিখতে থাকো, তখনই মস্তিষ্ক এই অস্বস্তিটা তৈরি করে।
এটা প্রমাণ করে তুমি কমফোর্ট জোনের বাইরে যাচ্ছো।
কিন্তু হ্যাঁ—শুধু “নরমাল” ভাবলেই যে সব ঠিক হয়ে যাবে, তা না।
তোমাকে এর সাথে লড়ার কিছু টুল দরকার:
আমার জন্য কাজ করেছে—
১) প্রতি মাসে অন্তত ১টা Win নোট করে রাখা নতুন কিছু শিখেছো, বাগ ফিক্স করেছো, টিমে অবদান রেখেছো—সব লিখে রাখো। কয়েক মাস পর দেখবে, তুমি আসলে অনেকদূর এগিয়েছো।
২) একজন মেন্টর খুঁজে নাও একজন সিনিয়র যিনি তোমাকে বলবেন, “এই ফিলিংটা নরমাল। আমি-ও গিয়েছি এই ফেজের মধ্য দিয়ে।” এই একটা বাক্যই অনেক সময় প্রেশার অর্ধেক করে দেয়।
৩) নিজের তুলনা নিজের সাথে করো অন্যদের সাথে না। আজ তুমি এক বছর আগের নিজের চেয়ে ভালো হলে—তুমি সঠিক পথে আছো।
লেখাটি: Md. Hafizur Rahman Arfin
[মূল পোস্টের লিঙ্ক https://tinyurl.com/5xmne67f]
"সমস্যাটা হয়তো আমার মধ্যেই।" "আমি হয়তো যথেষ্ট স্মার্ট না।"
সেই সময় বুঝতাম না, কিন্তু এখন জানি— এটার নাম ইম্পোস্টার সিন্ড্রোম।
যেটা ৯ জন জুনিয়রের মধ্যে প্রায় ৮ জনই ফেস করে।
তুমি ভাবো—তোমার চারপাশের সবাই সব জানে, কিন্তু তুমি কেবল কোনোমতে টিকে আছো।
এমন ফিল করা আসলে খারাপ না। এগুলো “গ্রোথের সাইন”। যখনই তুমি নতুন কিছু শিখতে থাকো, তখনই মস্তিষ্ক এই অস্বস্তিটা তৈরি করে।
এটা প্রমাণ করে তুমি কমফোর্ট জোনের বাইরে যাচ্ছো।
কিন্তু হ্যাঁ—শুধু “নরমাল” ভাবলেই যে সব ঠিক হয়ে যাবে, তা না।
তোমাকে এর সাথে লড়ার কিছু টুল দরকার:
আমার জন্য কাজ করেছে—
১) প্রতি মাসে অন্তত ১টা Win নোট করে রাখা নতুন কিছু শিখেছো, বাগ ফিক্স করেছো, টিমে অবদান রেখেছো—সব লিখে রাখো। কয়েক মাস পর দেখবে, তুমি আসলে অনেকদূর এগিয়েছো।
২) একজন মেন্টর খুঁজে নাও একজন সিনিয়র যিনি তোমাকে বলবেন, “এই ফিলিংটা নরমাল। আমি-ও গিয়েছি এই ফেজের মধ্য দিয়ে।” এই একটা বাক্যই অনেক সময় প্রেশার অর্ধেক করে দেয়।
৩) নিজের তুলনা নিজের সাথে করো অন্যদের সাথে না। আজ তুমি এক বছর আগের নিজের চেয়ে ভালো হলে—তুমি সঠিক পথে আছো।
লেখাটি: Md. Hafizur Rahman Arfin
[মূল পোস্টের লিঙ্ক https://tinyurl.com/5xmne67f]
প্রোডাকশনে কিছু ব্রেক হতো, মনে হতো—
"সমস্যাটা হয়তো আমার মধ্যেই।"
"আমি হয়তো যথেষ্ট স্মার্ট না।"
সেই সময় বুঝতাম না, কিন্তু এখন জানি— এটার নাম ইম্পোস্টার সিন্ড্রোম।
যেটা ৯ জন জুনিয়রের মধ্যে প্রায় ৮ জনই ফেস করে।
তুমি ভাবো—তোমার চারপাশের সবাই সব জানে, কিন্তু তুমি কেবল কোনোমতে টিকে আছো।
এমন ফিল করা আসলে খারাপ না। এগুলো “গ্রোথের সাইন”।
যখনই তুমি নতুন কিছু শিখতে থাকো, তখনই মস্তিষ্ক এই অস্বস্তিটা তৈরি করে।
এটা প্রমাণ করে তুমি কমফোর্ট জোনের বাইরে যাচ্ছো।
কিন্তু হ্যাঁ—শুধু “নরমাল” ভাবলেই যে সব ঠিক হয়ে যাবে, তা না।
তোমাকে এর সাথে লড়ার কিছু টুল দরকার:
আমার জন্য কাজ করেছে—
১) প্রতি মাসে অন্তত ১টা Win নোট করে রাখা
নতুন কিছু শিখেছো, বাগ ফিক্স করেছো, টিমে অবদান রেখেছো—সব লিখে রাখো।
কয়েক মাস পর দেখবে, তুমি আসলে অনেকদূর এগিয়েছো।
২) একজন মেন্টর খুঁজে নাও
একজন সিনিয়র যিনি তোমাকে বলবেন, “এই ফিলিংটা নরমাল। আমি-ও গিয়েছি এই ফেজের মধ্য দিয়ে।”
এই একটা বাক্যই অনেক সময় প্রেশার অর্ধেক করে দেয়।
৩) নিজের তুলনা নিজের সাথে করো
অন্যদের সাথে না। আজ তুমি এক বছর আগের নিজের চেয়ে ভালো হলে—তুমি সঠিক পথে আছো।
✍️ লেখাটি: Md. Hafizur Rahman Arfin
[মূল পোস্টের লিঙ্ক https://tinyurl.com/5xmne67f]
5K Views